Wednesday, 22 September 2021

মন খারাপ হলে কি করবেন ?

মন খারাপ হলে কি করবেন ?

 

আজকাল প্রায়ই মন খারাপ থাকে। মন খারাপের সময় অনেক কাছের মানুষকে কষ্ট দিয়ে ফেলি এবং পরে অনুতপ্ত হই। এর থেকে কিভাবে বেরিয়ে আসতে পারি?

আপনি কি আমার মতো লকডাউনে নিজেকে বাসায় বন্দি করে রেখেছেন?

আপনার কি সারাদিনে বের হবার একটু সময় নেই?

আপনার কি নিয়মিত অনলাইন ক্লাস কিংবা অনলাইনে কাজের প্রেশার আছে?

যদি এর একটিও হয়ে থাকে আপনার উপর লকডাউন ইফেক্ট পরেছে!অর্থাৎ আপনি বাসায় থেকে থেকে নিজেকে আরো গুটিয়ে ফেলছেন! আপনি নিয়মিত বাসার ছাদে বিকেলটা কাটান কিংবা সপ্তাহে একদিন পূর্ণ স্বাস্থ্যবিধি মেনে দেখা করে আসুন প্রিয়জনদের সাথে।

বাসায় থাকতে হলে অনলাইনে বই পড়ে ফেলুন কিংবা বন্ধুদের সাথে কথা বলুন! তারা হয়তো আপনাকে মেসেজ করছে না..আপনি নিজেই করুন…দেখবেন কথা বলতে বলতে কখন যে সময় পেড়িয়ে গেছে নিজেই জানবেন না!

তাছাড়া নতুন কোনো সিরিজ কিংবা মুভি দেখে ফেলুন! খারাপ চিন্তাকে প্রশ্রয় দিবেন না! আপনার মেজাজ খারাপ করে দেয় এমন চিন্তা মাথায় আসলে নিজ ধর্মানুসারে সৃষ্টিকর্তাকে ডাকা শুরু করে দিন! খারাপ চিন্তা ভয় পেয়ে যাবে

মনে রাখার কিছু সহজ উপায় কী?

মনে রাখার কিছু সহজ উপায় কী?

 

ছোট বেলায় আমি অঙ্ককে ভীষণ ভয় পেতাম। আর ইতিহাসের বিষয়ে ছিল আমার সবচেয়ে প্রিয়। কারণ বাড়িতে আমি একা ছিলাম যে সব কিছু মুখস্থ করে ফেলতাম। দিদি আমাকে রটু তোতা ডাকতো, হিন্দির এই শব্দ থেকে রোট লার্নার[1] বোঝায়, মানে এমন লোক যারা বারে-বারে একটাই কথা বলে তা মুখস্থ করে নেওয়ার আগ্রহ রাখে।

সুতরাং আমার বাড়ির সমস্ত ইঞ্জিনিয়ার বা প্রকৌশলীদের মধ্যে আমি একমাত্র ভাষা, মনোবিজ্ঞান ও ইতিহাস নিয়ে পড়ালেখা করেছি। আমার নিজের ভাই-বোন এবং পুরো গুষ্টির (পিসতুত-খুড়তুত-জ্যেঠতুত বা মামাতো-মাসতুতো) ভাই-বোনের মধ্যে আমি একা যে সাহিত্য-ইতিহাস নিয়ে ডিগ্রীর পড়া পড়েছি।

চলুন আজ আপনাদের জানাই আমি কীভাবে মুখস্থ করি আর কী কী সহজ ভাবে তা মনে রাখি বা রাখার চেষ্টা করি। এর মধ্যে অনেকগুলো পদ্ধতি আমি কলেজে পড়াকালীন শিখেছিলাম। আর অনেকগুলো এমন আছে যা আমার মনোবিজ্ঞানের ক্লাসে প্রাকটিক্যাল করে শেখানো হয়েছিল।

  1. দূরত্ব পুনরাবৃত্তি (Spaced Repetition[2]): এই পদ্ধতিটি আমি কলেজে পড়াকালীন শিখেছিলাম, এতে আপনি কয়েকটি ফ্লাশকার্ড তৈরী করে বারে বারে ভিজ্যুয়াল ক্যুগুলি বুঝে মুখস্ত করে সিকোয়েন্সটি মনে রাখার চেষ্টা করেন।
  2. চংকিং ব্যবহার করা (Chunking[3]): দুরত্ব পুনরাবৃত্তির ঠিক পরে চংকিং ব্যবহার করা যাওয়া যেতে পারে। এর মধ্যে আমরা ছোট-ছোট কথাগুলিকে কোনো বড় বা বেশি গুরুত্বপূর্ণ তথ্যের সাথে যুক্ত করি যাতে আমাদের তা মনে থাকে।
  3. জার্নাল লেখা (Journaling[4]): কোনো রকমের ডায়েরি লেখা, নতুন-পুরোনো, ছোট-বড় কোনো রকমের জার্নাল লেখাটা আপনাকে মানসিক স্পষ্টতা অর্জন করতে সহায়তা করবে। তা ছাড়া একটি সুষ্ঠ মস্তিষ্কের জন্য পর্যাপ্ত মাত্রায় ঘুম হওয়াটাও খুব প্রয়োজনীয়।
  4. স্মৃতিবিজ্ঞান বা সংক্ষিপ্ত করা(Mnemonics[5] or Acronyms): কোনো তথ্যকে মনে রাখতে, তা বজায় রাখতে বা পুনরুদ্ধার করতে সংক্ষিপ্ত করা বাক্য ব্যবহারে জানা যাওয়া যেতে পারে। (যেমন ধরুন আমাকে মনে রাখতে আছে ARITHMETIC তাহলে আমি বলবো A rat in the house may eat the ice cream.) এই পদ্ধতিটি আমরা এখনও প্রায় বাড়িতে ব্যবহার করি যেমন কোথাও থেকে বেরানোর সময় বা বেড়াতে যাওয়ার সময়, কোনো কিছু প্যাক করার সময় ইত্যাদি।
  5. নিমোনিক মেজর সিস্টেম (Mnemonic Major System[6]): এটি কোনো সংখ্যা মুখস্থ করতে সহায়তা করার জন্য ব্যবহৃত একটি অনন্য টুল। আমি কখন এটি সেই ভাবে ব্যবহার করিনি তাই জানিনা এই নির্দিষ্ট পদ্ধতিটি কতটা কার্যকর।

আশা করি আপনারা এই কয়েকটি পদ্ধতির বিষয়ে আরও বিশদভাবে আলোচনার করার পর, নিজের জন্য সেরা সিদ্ধান্ত নিতে পারবেন এবং অবশ্যই কিছুটা সাহায্য পাবেন।

মেধাশক্তি দিন দিন কমে যাচ্ছে ?

মেধাশক্তি দিন দিন কমে যাচ্ছে ?

স্মৃতিশক্তি বৃদ্ধির জন্য আমাদের যা যা করা উচিত সেগুলো হলো -

. পাপের কাজ ছেড়ে দেয়া৷

আল্লাহর ইবাদাত না করা, অশ্লীলতা চর্চা করা, অনর্থক কাজ করা ইত্যাদি পাপ কাজের অন্তর্ভুক্ত৷

. আল্লাহর কাছে ধৈর্য ধরে দোয়া করা এবং ক্ষমা চাওয়া৷

কুরআন মাজিদে সুরা বাকারার ১৫৩ নং আয়াতে মহান আল্লাহ ইরশাদ করেন,

 

يا ايها الذين امنوا استعينوا با الصبر والصلاة ان الله مع الصابرين

 

" হে ঈমানদারগণ, তোমরা ধৈর্য এবং সালাতের মাধ্যমে সাহায্য প্রার্থনা কর নিশ্চয়ই আল্লাহ ধৈর্যশীলদের সাথেই আছেন "

. বেশি রাত না জাগা তাড়াতাড়ি ঘুমিয়ে পড়া

. সামাজিক মাধ্যমে প্রয়োজনের অতিরিক্ত সময় ব্যয় না করা৷

. নিয়মিত কুরআন মাজিদ পড়া এবং মুখস্থ করার চেষ্টা করা

. নিজের কাজ নিজেই করার চেষ্টা করা৷

. সাধ্যমত দান করার চেষ্টা করা৷